Skip to main content

The Poetic Land

TYPE AT LEAST 3 CHARACTERS TO SEARCH...
← কালজয়ী লেখক
মীর মশাররফ হোসেন
ছবি: মীর মশাররফ হোসেন, অজ্ঞাত আলোকচিত্রী, Wikimedia Commons, Public domain
বাংলাদেশ

মীর মশাররফ হোসেন

Mir Mosharraf Hossain · ১৮৪৭–১৯১১

জন্ম
১৩ নভেম্বর ১৮৪৭, লাহিনীপাড়া, কুমারখালী, কুষ্টিয়া
মৃত্যু
১৯ ডিসেম্বর ১৯১১ (মতান্তরে ১৯১২), পদমদী (বর্তমান রাজবাড়ী জেলা)

জীবন

কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়ায় এক জমিদার পরিবারে মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম। ঘরে আরবি-ফারসি, পাঠশালায় বাংলা শিখে কুষ্টিয়া ও কৃষ্ণনগরে পড়েছেন, তবে পড়া শেষ করতে পারেননি। পরে পারিবারিক জমিদারির কাজ ও দেলদুয়ার এস্টেটের দায়িত্ব সামলেছেন।

ছাত্রাবস্থাতেই 'সংবাদ প্রভাকর' ও 'গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা'য় মফস্বল সংবাদদাতা হিসেবে লেখা শুরু। কাঙাল হরিনাথকে তিনি সাহিত্যগুরু মানতেন। 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন।

উপন্যাস, নাটক, প্রহসন, কবিতা, আত্মজীবনী—সব ধারাতেই লিখেছেন। কারবালার বিষাদময় কাহিনি নিয়ে লেখা 'বিষাদ-সিন্ধু' তাঁর অমর কীর্তি, আর 'জমীদার দর্পণ' নাটকে তুলে ধরেছেন প্রজাদের ওপর জমিদারি অত্যাচার। পদমদীতে তাঁর সমাধি।

কেন তিনি গুরুত্বপূর্ণ

উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান লেখকদের মধ্যে মীর মশাররফ হোসেন পথিকৃৎ। 'বিষাদ-সিন্ধু'র আবেগঘন, অলংকারময় গদ্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাঠকের কাছে প্রিয়, কারবালার শোককে তিনি বাংলা উপন্যাসের ভাষায় এনেছেন। 'জমীদার দর্পণ'-এ সাধারণ প্রজার কষ্ট আর 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী'তে সমাজের ভণ্ডামির ব্যঙ্গ—সমাজসচেতন লেখক হিসেবে তাঁকে চেনায়।

লেখা পড়ুন

উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, প্রথম প্রবাহ (অংশ) — পুত্রের প্রতি মাবিয়া“তুমি আমার একমাত্র পুত্র। এই অতুল বিভব, সুবিস্তৃত রাজ্য এবং অসংখ্য সৈন্যসামন্ত সকলই তোমার…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, প্রথম প্রবাহ (অংশ) — এজিদের উত্তরএজিদ্ করজোড়ে বলিতে লাগিলেন, “পিতঃ! আমার দুঃখ অনন্ত। এ দুঃখের সীমা নাই, উপশমের উপায় নাই।…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, দ্বিতীয় প্রবাহ (অংশ)মহারাজের সহিত মহিষীর পরামর্শ হইল। এজিদ্ও কথার সূত্র পাইয়া তাহাতে নানাপ্রকার শাখা-প্রশাখা…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, তৃতীয় প্রবাহ (অংশ)এজিদের শিরায় শিরায়, শোণিতবিন্দুর প্রতি পরমাণু অংশে, প্রতি শ্বাস-প্রশ্বাসে, শয়নে-স্বপ্ন…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, চতুর্থ প্রবাহ (অংশ)পথিক ঊর্ধ্বশ্বাসে চলিতেছেন, বিরাম নাই। মুহূর্তকালের জন্য বিশ্রাম নাই। এজিদ্ গোপনে বলিয়া …বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, সপ্তম প্রবাহ (অংশ)সময় যাইতেছে। যাহা যাইতেছে, তাহা আর ফিরিয়া আসিতেছে না। আজ যে ঘটনা হইল, কাল তাহা দুই দিন …বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, অষ্টম প্রবাহ (অংশ)মাবিয়া পীড়িত; এক্ষণে নিজবলে আর উঠিবার শক্তি নাই। এজিদের মুখ দেখিবেন না প্রতিজ্ঞা করিয়া…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, নবম প্রবাহ (অংশ)দামেস্ক রাজপুরীমধ্যে পুরবাসিগণ, দাসদাসীগণ, মহা ব্যতিব্যস্ত। সকলেই বিষাদিত। মাবিয়ার জীবন …বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, একাদশ প্রবাহ (অংশ)মদিনাবাসীরা কিছুদিন এজিদের পত্র লইয়া বিশেষ আলোচনা করিলেন। সর্বসাধারণের অন্তরেই এজিদের পত…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →উপন্যাসের অংশবিষাদ-সিন্ধু: মহরম পর্ব, দ্বাদশ প্রবাহ (অংশ)ঋণের শেষ, অগ্নির শেষ, ব্যাধির শেষ, শত্রুর শেষ থাকিলে ভবিষ্যতে মহাবিপদ। পুনরায় তাহা বর্ধি…বিষাদ-সিন্ধু (মহরম পর্ব)পড়ুন →

উল্লেখযোগ্য রচনা

  • রত্নবতী (১৮৬৯)
  • জমীদার দর্পণ (নাটক, ১৮৭৩)
  • বসন্তকুমারী নাটক (১৮৭৩)
  • গোরাই ব্রিজ বা গৌরী-সেতু (১৮৭৩)
  • বিষাদ-সিন্ধু (উপন্যাস, তিন পর্ব, ১৮৮৫–১৮৯১)
  • গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  • আমার জীবনী

সময়রেখা

  1. ১৮৪৭কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়ায় জন্ম
  2. ১৮৬৯প্রথম উপন্যাস 'রত্নবতী'
  3. ১৮৭৩'জমীদার দর্পণ' নাটক
  4. ১৮৮৫দেলদুয়ার এস্টেটের কাজে যোগ
  5. ১৯০৩–১৯০৯কলকাতায় বসবাস
  6. ১৯১১মৃত্যু (বাংলাপিডিয়া মতে ১৯১২); পদমদীতে সমাধি
তথ্যসূত্র · Sources